ফিটনেস ধরে রাখার উপায়

হপ্রয়োজনীয় খাবার খান
প্রতিদিন একই ধরনের খাবার খাওয়া
উচিত নয়। প্রতিদিনের খাবারের
তালিকায় বিভিন্ন ভিটামিন,
মিনারেল এবং প্রোটিনযুক্ত
খাবার রাখুন। মনে রাখবেন,
খাবারের গুণগত মানই আসল। পরিমাণ
বিষয় নয়। যেমন প্রোটিন শরীরের
ওজন না বাড়িয়ে শক্তি সরবরাহ করে,
যা কোষের জন্য খুব প্রয়োজনীয়।
হতাজা ফল এবং শাকসবজি খান
প্রতিদিন খাবারের তালিকায় শিম,
মটরশুঁটি, বরবটির মতো আঁশযুক্ত সবজি ও
তাজা ফল থাকা খুব জরুরি। এসব তাজা
ফল ও সবজি ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ
প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে, দিনে
কয়েকবার ফল এবং সবজি খাওয়া
উচিত। এসব খাবার হাঁপানি এবং
অ্যালার্জির ঝুঁকি থেকেও রক্ষা করে।
হফাস্টফুডকে না বলুন
দোকানে তৈরি ফাস্টফুড বা
রেডিমেট খাবার খাওয়া
কোনোভাবেই উচিত নয়। এসব
খাবারে অতিমাত্রায় চিনি এবং
শরীরের জন্য ক্ষতিকর উপাদান থাকে।
শিশুদের জন্য এসব খাবার বিপজ্জনক।
তাদের হাঁপানির ঝুঁকি ৪০ শতাংশ
পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়। তাই ছোটকাল
থেকে শিশুদের এসব খাবার থেকে
দূরে রাখা উচিত।
হমস্তিষ্কের জন্য খাবার
মানুষের মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য
প্রয়োজন শর্করা এবং গ্গ্নুকোজ। তাজা
ফল, রুটি, মিষ্টি আলু, নুডুলস, মাছ-মাংস,
কাঠবাদাম প্রভৃতিতে প্রয়োজনীয়
শর্করা ও গ্গ্নুকোজ থাকে, যা
মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়তা করে।
হখাদ্য তালিকায় দুধ এবং ডিম
প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় দুধ থাকা
প্রয়োজন। দুধে শরীরের জন্য
প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ
পাওয়া যায়। এ ছাড়া সপ্তাহে অন্তত
দু'তিন দিন ডিম খেতে পারেন। তবে
কুসুম ছাড়া ডিম খাওয়াই ভালো।
হপর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন
প্রতিদিন কম করে হলেও এক থেকে দুই
লিটার পানি পান করা উচিত। তবে
প্রক্রিয়াজাত কোমল পানীয় থেকে
দূরে থাকুন। এই পানিতে সুগারের
মাত্রা বেশি থাকে।
হহালকা ব্যায়াম এবং হাঁটার অভ্যাস
করুন
প্রতিদিন আধা ঘণ্টা হলেও হাঁটুন।
এতে হাত-পা চলাচলের পাশাপাশি
মুক্ত বাতাসও সেবন হবে। হাঁটার
পাশাপাশি সম্ভব হলে নিয়মিত
শরীরচর্চা করুন। নিয়মিত শরীরচর্চা
আপনাকে বাড়তি শক্তি জোগাবে।
শরীর থাকবে ঝরঝরে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ভারতে পেচা বলি